Shahriar Technology. In this website Shahriar-Tech, you can find Mobile Review, PC Help, Apps etc tips. You can also be called me SEO Expert Redoy.

Helio S60 Full Specifications - হিলিও এস ৬০ স্পেসিফিকেশন

হিলিও এর নতুন স্মার্টফোন, Helio S60 বাজারে আসছে।
স্মার্টফোনটি দেখতে অনেকটা আইফোন এক্সের মতই।
হিলিও এস৬০ স্মার্টফোনটি বর্তমানে জনগনের চাহিদা মোতাবেক তৈরি করা হয়েছে।
ফোনটির ডিজাইন নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নাই।
হিলিও এস৬০ ফোনটিতে AI প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে ফোনটি বর্তমানের সাথে একদমই মানানসই।
চলুন তাহলে ফোনটি সম্বন্ধে বিস্তারিত জেনে নিই।

Helio S60 Specifications

অপারেটিং সিস্টেম: অ্যান্ড্রয়েড ওরিও (৮.১) অপারেটিং সিস্টেম
প্রসেসর: মিডিয়াটেক ৬৭৭১ AI প্রসেসর
ডিসপ্লে: ৬.২ ইঞ্চি ডিসপ্লে
ক্যামেরা: ডুয়েল ১৬+৫ মেগাপিক্সেল ব্যাক এবং ১৬ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা
র‍্যাম: ৪ জিবি ডিডিআর ৪ র‍্যাম
স্টোরেজ: ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ
ব্যাটারি: ৩,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি

হিলিও এস ৬০ এর বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন

ডিজাইন

ফোনটিতে ৬.২ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। ডিসপ্লে রেজ্যুলেশন ১০৮০×২২৪০ পিক্সেল। ফোনটির ওজন মাত্র ২০৭ গ্রাম। ফোনটিতে স্ক্রিন প্রটেকশন হিসেবে কর্নিং গোরিলা গ্লাস ৩ ব্যবহার করা হয়েছে।

হিলিও এস ৬০ এর প্রসেসর

ফোনটিতে মিডিয়াটেক ৬৭৭১ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। যা একটি ৮ কোর বিশিষ্ট প্রসেসর। ফোনটির সিপিইউ ২.০ গিগাহার্জ।

ক্যামেরা

16+5 MP camera

এই ফোনটিতে ব্যাক ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে ১৬+৫ মেগাপিক্সেলের ডুয়েল ক্যামেরা। সেলফি বা ফ্রন্ট ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেলের। উভয় ক্যামেরাতেই এফ/২.০ অ্যাপাচার দেওয়া হয়েছে।

র‍্যাম ও স্টোরেজ

এই ফোনটিতে ৪ জিবি ডিডিআর ৪ র‍্যাম দেওয়া হয়েছে। ইন্টারনাল স্টোরেজ হিসেবে ফোনটিতে রয়েছে ৬৪ জিবি। ফোনটিতে বাড়তি ২৫৬ জিবি স্টোরেজ বা মেমরি ব্যবহারে সুবিধা থাকছে।

কানেকটিভিটি

ফোনটি ২জি, ৩জি এবং ৪জি সমর্থন করে। ফোনটিতে ইউএসবি ২.০ টাইপ-সি কানেকটিভিটি ব্যবহার করা যাবে। ব্লুটুথ ভার্সন ৪.২ দেওয়া হয়েছে ফোনটিতে।

হিলিও এস ৬০ এর সেন্সর

ফোনটিতে জি-সেন্সর, প্রক্সিমিটি সেন্সর, লাইট সেন্সর, কম্পাস, জিপিএস, এ জিপিএস এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট সহ আরো অনেক সেন্সর দেওয়া হয়েছে।

ব্যাটারি

ফোনটিতে ৩,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। রয়েছে ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধাও।

শেষ কথা

হিলিও এস ৬০ ফোনটি সত্যিই অসাধারণ একটি ফোন। ফোনটি সব দিক দিয়েই অসাধারণ। তবে ব্যাটারি কিছুটা কম মনে হয়েছে। র‍্যাম এবং প্রসেসর মোটামুটি ভালোই তবে মিডিয়াটেক প্রসেসর ব্যবহার করায় কিছুটা ঘাটতি রয়েছে এরকম মনে হচ্ছে। Helio S60 ফোনটির দাম ২৫,৯৯০৳ মাত্র।
Share:

রাশিয়া বিশ্বকাপ জিতে নিলো ফ্রান্স

রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলছে ফ্রান্স বনাম ক্রোয়েশিয়া। খেলা শুরু থেকেই ছিলো টানটান উত্তেজনা। তবে হাফ টাইমের ভিতরে ২ গোল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। যা থেকে অনুমান করেই নেওয়া গেছিলো এবারে বিশ্বকাপ জিততে চলেছে ফ্রান্স। লাইভ ফুটবল অথবা ক্রিকেট অনলাইনে দেখতে ভিজিট করুন এই লিংকে
france win world cup

ফ্রান্স বনাম ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের রিভিউ


১৮ মিনিটের মাথায় ফ্রি কিকে মারিও মান্দজুকিচ এর হেডে দেওয়া আত্মঘাতী গোলেই বিদ্ধস্ত হয় ক্রোয়েশিয়া। তারপর অনেক চেষ্টার ফলে ক্রোয়েশিয়া ২৮ মিনিটে ইভান পেরিসিক এর দেওয়া দূরন্ত শর্টে গোল পায়। ফলে খেলায় সমতা আসে।

পর মুহূর্তেই ফ্রান্স আবার ৩৮ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি পায়। পেনাল্টিতে আন্তনিও গ্রিজম্যানের পায়ের জাদুতে আবার ফ্রান্স ২-১ গোলে এগিয়ে থাকে। এ থেকে বোঝাই যায় রাশিয়া বিশ্বকাপ জিততে চলেছে ফ্রান্স

৫৯ মিনিটের মাথায় পল পগবা এর থেকে ফ্রান্স আরো একটি গোল পায়। কিলিয়ান এমবাপের করা ৬৫ মিনিটের গোলে ফ্রান্স এগিয়ে যায় ৪-১ গোলে।

৬৯ মিনিটে আবারো মারিও মান্দজুকিচ এর গোলে ক্রোয়েশিয়া আরো একটি গোল পায়। কিন্তু গোলে সমতা আনতে এখনো ২ টি গোল করতে হবে ক্রোয়েশিয়াকে

  • বলের পজিশন - ৩৪% ফ্রান্স, ৬৬% ক্রোয়েশিয়া
  • টার্গেট শট - ফ্রান্স ১০, ক্রোয়েশিয়া ৬
  • ফ্রি কিক - ফ্রান্স ১৩, ক্রোয়েশিয়া ১৪
  • কর্ণার - ফ্রান্স ২, ক্রোয়েশিয়া
  • অফসাইড - ফ্রান্স ১, ক্রোয়েশিয়া
  • ফাউল - ফ্রান্স ১৩, ক্রোয়েশিয়া ১৩
  • হলুদ কার্ড - ফ্রান্স ২, ক্রোয়েশিয়া ১

ফলাফল

রাশিয়া বিশ্বকাপ ২০১৮ জিতে নিলো ফ্রান্সক্রোয়েশিয়া হলো রানার্সাপ। এবারে দ্বিতীয়বারের মত বিশ্বকাপ জিতে নিলো ফ্রান্স
Share:

Movavi 14.1.0 ভিডিও এডিটর + ক্র্যাক ডাউনলোড করে নিন

Movavi Video Editor একটি দারুন ভিডিও এডিটর। অনেকেই বর্তমানে প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিট করতে চায়। তবে তার জন্য কিছু সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়। Movavi ভিডিও এডিটর এমনই একটি ভিডিও এডিটর। আপনিও এই ভিডিও এডিটর দিয়ে খুব সহজেই ভিডিও এডিট করতে পারবেন। আজকে আমরা মোভাভি ভিডিও এডিটর সম্বন্ধে জানবো।
movavi video editor crack 2018


Movavi Video Editor Software

Movavi Video Editor সফটওয়্যারটি অনেকটা "Wondershare Filmora" এর মত। অনেক ফিচার মিল আছে ফিলমোরা এর সাথে। আবার কিছু ফিচার অমিল রয়েছে। মোভাভি নতুন কিছু ফিচার যোগ করেছে তাদের এই সফটওয়্যারটিতে। এটি দিয়ে প্রোফেশনাল ভিডিও এডিট করতে পারবেন আপনি। চলুন তাহলে মোভাভি এর সাথে পরিচিত হয়ে আসি।

এটা কি ফ্রি? নাকি পেইড?

না এটি ফ্রি সফটয়্যার নয়, তবে ফ্রিতে ব্যবহারের ক্ষেত্র কিছু লিমিটেশন রয়েছে। ফ্রি ভার্সন মোভাভি ব্যবহারে আপনার ভিডিওতে ওয়াটারমার্ক যোগ হয়ে যাবে এবং যে-কোনো প্রজেক্টে অডিও অর্ধেক সেভ হবে। আপনি চাইলে পার্সোনাল ব্যবহারে মোভাভি পার্সোনাল সফটওয়্যারটি $59.95 দিয়ে কিনে নিতে পারেন। অথবা, ব্যবসায়িক ব্যবহারের ক্ষেত্রে মোভাভি বিজনেস সফটওয়্যারটি $119.95 দিয়ে কিনে নিতে পারেন মোভাভির অফিসিয়াল সাইট থেকে।

মোভাভি ভিডিও এডিটর

প্রথমেই বলেছিলাম মোভাভি ভিডিও এডিটরটি দেখতে অনেকটা ফিলমোরা এর মত। এটির কাজও অনেকটা ফিলমোরা ভিডিও এডিটরের কাছাকাছি। এই মোভাভি এডিটর দিয়ে প্রোফেশনালদের মতই ভিডিও এডিট করতে পারবেন আপনিও। মোভাভি এর স্ক্রিন নিম্নরূপ:
movavi video editor

ক্র্যাক সহ ডাউনলোড করবেন যেভাবে

মোভাভি ভিডিও এডিটরটি ডাউনলোড করতে নিচের সবুজ লিংকটিতে ক্লিক করুন। ডাউনলোড করার পর কিভাবে ইনস্টল করবেন তা দেখে নিতে পারেন ভিডিওটিতে।

মোভাভি (Movavi) ভিডিও এডিটর এখন ফুল ভার্সনেই ব্যবহার করুন। পোস্টটি ভালো লাগলে কমেন্ট করে জানান এবং শেয়ার করুন।
Share:

ইউমিডিজির নতুন ফোন - ইউমিডিজি জেড২ প্রো

ইউমিডিজি নতুন বেজেল লেস স্মার্টফোন ইউমিডিজি জেড২ প্রো নিয়ে বাজারে আসছে। বেজেল লেস স্মার্টফোন বর্তমান যুগের নতুন স্টাইলও বলতে পারেন। তবে স্টাইল হোক আর আর যাই ই হোক, নিত্যনতুন ফোন ছাড়া এখন চলে নাকি? তাছাড়া এখন আর স্মার্টফোনের দাম আকাশচুম্বী নয়। খুব সস্তা দামেই এখন স্মার্টফোন পাওয়া যায়। তবে ভালোমানের একটি স্মার্টফোন কিনতে গেলে একটু তো খরচ হবেই। চলুন তাহলে কথা না বাড়িয়ে ইউমিডিজি জেড২ প্রো এর ফিচারগুলো দেখে নেওয়া যাক একনজরে।
umidigi z2 pro

ইউমিডিজি জেড২ প্রো এর ফিচারসমূহ

  • অপারেটিং সিস্টেম: Android v8.1 (Oreo)
  • ডিসপ্লে সাইজ: ৬.২ ইঞ্চি
  • প্রসেসর: মিডিয়াটেক হিলিও পি৬০, ৬৪ বিট প্রসেসর
  • ক্যামেরা: ১৬+৮ মেগা ফ্রন্ট, ১৬+৮ মেগা ব্যাক
  • র‍্যাম ও মেমোরি: ৬ জিবি, ১২৮ জিবি
  • ব্যাটারি: ৩,৬৫০ মিলি অ্যাম্পিয়ার

ফিচারসমূহের বিস্তারিত আলোচনা

  • স্মার্টফোনটিতে সর্বশেষ ভার্সন অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ওরিও ৮.১ দেওয়া হয়েছে। ফোনটির ওজনমাত্র ১৬৫ গ্রাম (ব্যাটারি সহ)।
  • ডিসপ্লেতে ৬.২ ইঞ্চির নজরকাড়া আইপিএস, এলসিডির ফুল এইচডি ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। ডিস্প্লে রেজ্যুলেশন ১০৮০*২২৪৬। দেওয়া হয়েছে ১৬ এম কালারসও। ফোনটিতে মাল্টিটাচ রয়েছে। ফোনটির মূল বডির ৯০% স্ক্রিন রয়েছে।
  • প্রসেসর হিসেবে ইউমিডিজি জেড২ প্রো হ্যান্ডসেটটিতে মিডিয়াটেক হিলিও পি৬০ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। প্রসেসরটি ৬৪-বিটের অক্টা কোরের একটি প্রসেসর।
  • এই স্মার্টফোনটিতে ১৬+৮ মেগাপিক্সেলের ব্যাক ও ফ্রন্ট ফ্যামেরা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, উভয় ক্যামেরাই পাচ্ছেন ২৪ মেগাপিক্সেলের। যা আপনার দারুন ফটোগ্রাফির কাজে আসবে। এই ফোনটি দিয়ে ৪K মানের ভিডিও করতে পারবেন।
  • এই ফোনটিতে পাচ্ছেন ৬ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি ইন্টারনাল মেমোরি। যা স্মার্টফোনটিকে স্মুথলি চলতে দিতে সক্ষম। আপনি এই ফোনে ২৫৬ জিবি পর্যন্ত এক্সটার্নাল মেমোরি ব্যবহার করতে পারবেন।
  • ফোনটিতে বিভিন্ন ধরনের সেন্সর দেওয়া হয়েছে। রয়েছে হল সেন্সর, ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরও।
  • কানেকটিভিটি হিসেবে দেওয়া হয়েছে ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ভার্সন ৪.১, টাইপ-সি ইউএসবি ভার্সন ২.০ ওটিজি, জিপিএস ইত্যাদি।
  • ব্যাটারি হিসেবে ইউমিডিজি জেড২ প্রো স্মার্টফোনটিতে ৩,৬৫০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের নন- রিমুভেবল লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে।
  • ফোনটির দাম হতে পারে ৩৫,০০০ হাজার থেকে ৪০,০০০ হাজার টাকার মত এবং ফোনটি Phantom, Black, Twilight এই তিনটি রঙে পাওয়া যাবে।
আশাকরি, ইউমিডিজি জেড২ প্রো সম্বন্ধে সবাই জানতে পেরেছেন। পোস্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন এবং ভালো লাগলে শেয়ার করুন।




Share:

ইউমিডিজি নিয়ে এসেছে নতুন স্মার্টফোন - ইউমিডিজি জেড২

বর্তমান বাজারে স্মার্টফোনের চাহিদা রয়েছে বেশ। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই ইউমিডিজি ব্র্যান্ড তাদের নতুন স্মার্টফোন ইউমিডিজি জেড২ নিয়ে বাজারে হাজির হয়েছে। গত মে মাসে ফোনটি বাজারে ছেড়েছে স্মার্টফোন কোম্পানি ইউমিডিজি। ইতোমধ্যেই ইউমিডিজি স্মার্টফোন বেশ সুনাম অর্জন করে নিয়েছে।

ইউমিডিজি কম দামে ভালোমানের স্মার্টফোন সার্ভিস দিচ্ছে যা সত্যিই অসাধারণ। এই ২০১৮ সালে বেজেল লেস স্মার্টফোনের চাহিদা অনেক বেশিই বলা চলে। ইউমিডিজিও সেই চাহিদা মেটাতে এবারও বেজেল লেস ডিসপ্লের একটি স্মার্টফোন নিয়ে হাজির হয়েছে।
UMIDIGI Z2


ইউমিডিজি জেড২ এর প্রধান স্পেসিফিকেশন

  • অপারেটিং সিস্টেম - অ্যান্ড্রয়েড ৮.১ (ওরিও)
  • ডিসপ্লে - ৬.২ ইঞ্চির ফুল এইচডি ১৯:৯ ডিসপ্লে রেশিও
  • প্রসেসর - মিডিয়াটেক হিলিও পি২৩
  • ক্যামেরা - ডুয়েল ১৬+৮ মেগাপিক্সেল ব্যাক, ১৬+৮ মেগাপিক্সেল সেলফি
  • র‍্যাম - ৬জিবি
  • স্টোরেজ - ৬৪ জিবি
  • ব্যাটারি - ৩,৮৫০ মিলি অ্যাম্পিয়ার
  • ফিঙ্গারপ্রিন্ট - রয়েছে

ডিসপ্লে

ডিসপ্লে হিসেবে ইউমিডিজি জেড২ তে দেওয়া হয়েছে ৬.২ ইঞ্চির আইপিএস,এলসিডি ফুল এইচডি ২২৪৬*১০৮০ পিক্সেলের, ১৯:৯ ডিসপ্লে রেশিওর বেজেল লেস একটি স্মার্টফোন। ফোনটির স্ক্রিন যথেষ্ট উজ্জ্বল এবং দৃষ্টিনন্দন।

প্রসেসর

স্মার্টফোনটিতে মিডিয়াটেক হিলিও পি২৩ এর ৬৪-বিটের অক্টা কোর প্রসেসর দেওয়া হয়েছে।
অনেকের কাছেই মিডিয়াটেক প্রসেসরের ফোনগুলি ভালো লাগেনা। কারণ মিডিয়াটেক প্রসেসর একটু নিম্নমানের ও স্লো হয়ে থাকে।

ক্যামেরা

এই স্মার্টফোনটিতে রেয়ার বা ব্যাকে থাকছ ১৬+৮ মেগাপিক্সেলের ডুয়েল ফ্ল্যাশ লাইট যুক্ত ক্যামেরা। ব্যাক ক্যামেরার অ্যাপাচার এফ ২.০। যেটির সাহায্যে আপনি খুব ভালোমানের ছবি তুলতে পারবেন।
UMIDIGI Z2 camera

ফোনটির সামনে বা ফ্রন্টেও থাকছে ১৬+৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা যেটি সত্যিই দারুন সেলফি তোলার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। ফ্রন্ট ক্যামেরার অ্যাপাচার এফ ২.০। মজার ব্যাপার হলো ব্যাক ক্যামেরা দিয়ে 4K ভিডিও রেকর্ডিং করতে পারবেন। ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে ১০৮০ পিক্সেলের ভিডিও করা যাবে।

র‍্যাম এবং স্টোরেজ

এই স্মার্টফোনটিতে ৬ জিবি র‍্যাম এবং ৬৪ জিবি স্টোরেজ দেওয়া হয়েছে যা এক্সটার্নাল মেমোরি ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ২৫৬ জিবি পর্যন্ত বাড়াতে পারবেন। র‍্যাম বেশি থাকার কারণে যারা প্রসেসরের সমস্যা ভাবছিলেন তাদের দুশ্চিন্তার কারণ নেই। ৬ জিবি র‍্যাম যথেষ্ট ফোনটির জন্য। তাছাড়া ৬৪ জিবি ইন্টারনাল মেমোরিতো থাকছেই।

জেড২ এর ফিচার

ফোনটি হাইব্রিড ডুয়েল সিম (ন্যানো সিম+ন্যানো সিম/মাইক্রোএসডি) সাপোর্টেড। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, প্রক্সিমিটি সেন্সর, এক্সেলেরোমিটার, জাইরোস্কোপ এবং কম্পাস সেন্সর রয়েছে।

ব্যাটারি

ব্যাটারি হিসেবে এই ফোনটিতে আপনি নন-রিমুভেবল ৩,৮৫০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি পাচ্ছেন যা ডিসপ্লের তুলনায় একটু কম বলা চলে। তবে সাধারণ ব্যবহারে টানা ৬/৭ ঘন্টা চলতে সক্ষম। রয়েছে ফাস্ট চার্জিংয়ের সুবিধাও।

অন্যান্য ফিচার

ফেস আনলক, ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার, এনএফসি, ব্লুটুথ, ডুয়েল ব্যান্ড, ওয়াই-ফাই, জিপিএস, গ্লোনেস, ৪জি, ওটিজি, ওয়্যারলেস চার্জিং ইত্যাদি।

দাম এবং কালার

ফোনটির দাম হিসাব করলে অনেক কমই। আশাকরা হচ্ছে ফোনটির দাম ১৮ থেকে ২৫ হাজার টাকার ভিতর হবে। ফোনটি Black, Twilight, Twilight Black রঙের পাওয়া যাবে।
ইউমিডিজি জেড২ অনেক কম বাজেটের ভিতর ভালোমানের একটি স্মার্টফোন। ফোনটির ৬ জিবি র‍্যাম এবং ৬৪ জিবি স্টোরেজ সুবিধা ফোনটিকে আরো ফাস্ট করে তুলেছে। সেই সঙ্গে ফাস্ট চার্জিং সুবিধার জন্য তাড়াহুড়ো করে বাইরে যাওয়ার আগে ফোনটি দ্রুত চার্জ করে নিতেও পারবেন। তো, আপনাদের কাছে ফোনটি কেমন লাগলো তা নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানান।
Share:

লাইভ বিশ্বকাপ ফুটবল দেখুন অনলাইনে | রাশিয়া বিশ্বকাপ ২০১৮

এখন সময় চলছে বিশ্বকাপ ফুটবলের। কিন্তু অনেক সময় কাজের প্রয়োজনে বাইরে থাকতে হয়। যে কারণে লাইভ ফুটবল ম্যাচ দেখার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যায়। টিভিতে চলছে বিশ্বকাপের খেলা আর তখন যদি আপনি প্রিয় দলের খেলাটি দেখতে না পারেন তখন নিশ্চই আফসোস হবে? রাগও হবে নিশ্চই।

সেই কারণেই এখন খেলা দেখতে আর টিভি নয়। এখন অনলাইনেই লাইভ বিশ্বকাপ ফুটবল দেখতে পারবেন খুব সহজেই। ক্রিকেটের মত শুধু স্কোর দেখলেই কি হবে? লাইভ ম্যাচ যদি দেখতেই না পারা যায় তাহলে ফুটবল খেলার আমেজ আর কই তাইনা? এখন বিশ্বকাপ ফুটবল দেখতে পারেন আপনার মোবাইল ফোনেই বা ল্যাপটপ, কম্পিউটারেও।

আমরা অনেকে যারা কাজের চাপে বাইরে থাকি তারা এখন লাইভ ম্যাচ সহজেই দেখতে পারবো। অনেক সাইটে বা অনেক অ্যাপসের মাধ্যমে রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮, সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে। সুতরাং, বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখা এখন আর মিস হবেনা। আপনি যে কোনো জায়গা থেকে বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ থেকে দেখতে নিচের সবুজ লিংকে ক্লিক করুন।
fifa worldcup 2018
এখন বাইরে থাকলেও বিশ্বকাপ ফুটবল দেখা মিস হবেনা। তবে নেট স্পিড মোটামুটি ভালো না থাকলে দেখতে সমস্যা হতে পারে। তবুও ফোর জি - এর সময়ে কি আর থেমে থাকা যায়? অনলাইনে খেলা দেখা তো চলবেই যে যাই বলুক।


Share:

অ্যান্ড্রয়েডের জন্য সেরা ৩টি ইউটিউব থাম্বনেল মেকার অ্যাপস

ইউটিউব ভিডিওর জন্য অনেক থাম্বনেল তৈরির অ্যাপস থাকলেও ভালো ফিচার সমৃদ্ধ অ্যাপসের খোজ অনেকেই জানেনা। তাদের জন্য আজকের এই পোস্টটি আশাকরি উপকারে আসবে। প্রথমত, ইউটিউব ভিডিওর থাম্বনেলটি যদি দেখতে ভালো না হয় তবে কারোরই আগ্রহ হবেনা ভিডিওটি দেখার।

সুতরাং, ভিডিওর থাম্বনেলই যদি দেখতে আকর্ষণীয় না হয় তবে ভিডিও ভিউস কম হবে। দ্বিতীয়ত, ইউটিউব ভিডিও এসইও এর ফলেই আপনার ইউটিউব ভিডিওটি র‍্যাংক করতে পারে। আর সেই জন্যই ইউটিউব ভিডিও কিভাবে এসইও সহ র‍্যাংক করাবেন তা জানুন-এই পোস্টটি পড়ে দেখতে পারেন।
youtube thumbnail

ইউটিউব থাম্বনেল মেকার অ্যাপস

ইউটিউব ভিডিও তৈরির ক্ষেত্রে ভিডিও পাবলিশ করার আগে আপনাকে একটি সুন্দর থাম্বনেল বেছে নিতে হয়। থাম্বনেল বা ছবিটি দর্শকদের কাছে দৃষ্টিনন্দন হলে ভিডিও ভিউস বেশি হবে তা সবারই জানা। আর এই আকর্ষণীয় থাম্বনেলের ফলেই আপনার ভিডিওটি ভাইরালও হয়ে যেতে পারে। চলুন তাহলে সেই ৩টি অ্যান্ড্রয়েড থাম্বনেল মেকার অ্যাপস সম্বন্ধে জেনে নেওয়া যাক।

১. PixelLab

পিক্সেল ল্যাব দারুন একটি থাম্বনেল তৈরির অ্যাপস। এর সাহায্যে আপনি ইউটিউব থাম্বনেল ছাড়াও ইউটিউব চ্যানেল ব্যানার, ফেসবুক কভার আর্ট, গুগল প্লাস কভার ফটো, টুইটার হেডার ইত্যাদি তৈরি করতে পারবেন। আপনি চাইলে কাস্টম সাইজ সিলেক্ট করে নিতে পারবেন। এই পিক্সেল ল্যাব অ্যাপসের সাহায্যে বিভিন্ন ফন্টের টেক্সট, থ্রিডি টেক্সট, টেক্সটকে শেপ দেওয়া, দারুন সব টেক্সট কালার অ্যাড করতে পারবেন লেখাতে এবং খুব ভালো রেজ্যুলেশনের jpg ব png ফরম্যাটের থাম্বনেল বা ছবি তৈরি করে নিতে পারবেন। নিচের লিংকে ক্লিক করে PixelLab অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
pixl lab

২. Thumbnail Maker

থাম্বনেল মেকার নাম শুনেই হয়তো বুঝতে পেরেছেন অ্যাপসটি শুধুমাত্র ইউটিউব থাম্বনেলের জন্যই। এই অ্যাপসটি দিয়েও আপনি মনের মত একটি থাম্বনেল তৈরি করতে পারবেন। তবে থাম্বনেলটি সর্বোচ্চ ১২৮০×৭২০ পিক্সেলে সেভ হবে। এটিতেও টেক্সট ফন্ট, টেক্সট কালার সব আরো অনেক চমৎকার ফিচার পাবেন। নিচের লিংকে ক্লিক করে Thumbnail Maker অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
thumbnail maker

৩. Pixlr

পিক্সলার অ্যাপস দিয়েও দারুন সব থাম্বনেল তৈরি করতে পারবেন। তবে পিক্সেল ল্যাব বা থাম্বনেল মেকারের মত অনেক ধরনের ফিচার এই অ্যাপসে্‌ অনুপস্থিত। পিক্সলার দিয়েও টেক্সট ফন্ট, টেক্সট কালার, বিভিন্ন ইফেক্ট দিতে পারবেন ছবিতে এবং টুলস থেকে বিভিন্ন অপশন ব্যবহার করে চমৎকার থাম্বনেল তৈরি করতে পারবেন। পিক্সলার অ্যাপস দিয়েও ভালো রেজ্যুলেশনের থাম্বনেল তৈরি করা সম্ভব। নিচের লিংকে ক্লিক করে Pixlr অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
pix lr
উপরের তিনটি থাম্বনেল মেকার অ্যাপসে্‌র ভেতর সবগুলো অ্যাপসের মাধ্যমেই খুব ভালো থাম্বনেল তৈরি করতে পারবেন আপনার ইউটিউব ভিডিওর জন্য। যারা ফটোশপ ব্যবহার করতে জানেনা বা যারা একেবারে নতুন তারা এই অ্যাপস গুলো দিয়ে সহজেই একটি ভালোমানের থাম্বনেল তৈরি করে নিতে পারবেন। পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন। ধন্যবাদ।
Share:

ইউটিউব ভিডিও ব্যাকলিংক তৈরি করুন খুব সহজেই

ইউটিউব ভিডিও প্রমোট করার অন্যতম উপায় হলো ব্যাকলিংক (backlink)। যারা ইউটিউবার তারা ব্যাকলিংক নামটি শুনেছেন আশাকরি। কিন্তু কিভাবে তৈরি করবেন ইউটিউব ভিডিও ব্যাকলিংক? ফেসবুক, টুইটার সহ আরো অনেক সাইটে বারবার লিংক শেয়ার করবেন? না আসলে তা নয়। আপনি অটো ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারবেন খুব সহজ উপায়ে।

ইউটিউব ভিডিও র‍্যাংক করাতে, ইউটিউব ভিডিও কিভাবে এসইও সহ র‍্যাংক করাবেন তা জানুন - এই পোস্টটি দেখুন।
video backlink

যেভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন

প্রথমেই বলে দিয়েছি, আপনি অটো ইউটিউব ভিডিও ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারবেন। কিন্তু অটো ব্যাকলিংক তৈরি শেখার আগে আমরা এর কিছু উপকারিতা ও অপকারিতা সম্বন্ধে জানব।

অটো ব্যাকলিংক এর উপকারিতা :

অটো ব্যাকলিংক তৈরির ফলে আপনার ভিডিও র‍্যাংক করার সম্ভাবনা অনেকগুণ বেড়ে যাবে। কারণ, অটো  ব্যাকলিংক তৈরির ফলে আপনার ভিডিওটি বিভিন্ন সাইটে শেয়ার বা এম্বেড হয়ে যাবে।
এরফলে আপনার ভিডিওটি যে-সব ওয়েবসাইটে এম্বেড হয়ে যাবে সেই সাইটের ভিজিটররা ভিডিওটি দেখতে পারবে এবং আপনার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইবও করতে পারবে। এটাই হলো অটো ব্যাকলিংক এর উপকারিতা।

অটো ব্যাকলিংক এর অপকারিতা :

'অটো ব্যাকলিংক' নামটি শুনে বুঝতেই পারছেন এটি অটোমেটিক একটি কাজ। যেহেতু অটোমেটিক কাজ এটি সেহেতু খুব বেশি ব্যাকলিংক তৈরি করা উচিত নয়। আপনি ১ থেকে ৩ মিনিটের ভিতর প্রায় ৫০০ বা ১,০০০ টি সাইটে ভিডিও লিংক শেয়ার করতে পারবেন।

তবে মাত্রাতিরিক্ত ব্যাকলিংকের ফলে ইউটিউব বা গুগল সেটিকে স্প্যামিং হিসেবে ধরবে। ফলে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ক্ষতি হতে পারে। বেশি মাত্রায় ব্যাকলিংক তৈরির ফলে আপনি ইউটিউব চ্যানেলটিও হারাতে পারেন।
backlink site

ব্যাকলিংক তৈরি :

  • প্রথমে masspings.com - ওয়েবসাইটে যেতে হবে।
  • উপরে YouTube Backlinks - এ ক্লিক করে ব্যাকলিংক পেইজে যান।
  • ব্যাকলিংক পেইজে গেলে নিচে কিছু অপশন সহ ফাকা বক্স দেখতে পাবেন।
  • ID-YOUTUBE-VIDEO, Your Youtube Keyword, Choose number of backlinks বক্সগুলো সঠিকভাবে পূরণ করুন।
  • সবশেষে Start Backlinking - এ ক্লিক করুন।
এভাবে অটো ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারবেন। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যাতে একবারে ১০০টির বেশি ব্যাকলিংক না তৈরি না করেন। যদি আপনি ইউটিউবে নিয়মিত হোন এবং প্রতিদিন ১ বা ২টি করে ভিডিও আপলোড দেন সেক্ষেত্রে আপনি ৫০টি ব্যাকলিংক তৈরি করবেন। কখনোই অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যাকলিংক তৈরি করবেন না।

আশাকরি পোস্টটি আপনাদের উপকারে আসবে। ব্যাকলিংক তৈরি নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানান। পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Share:

ইউটিউব ভিডিও কিভাবে এসইও সহ র‍্যাংক করাবেন তা জানুন

প্রথমেই বলি, ইউটিউব ভিডিও র‍্যাংক করাতে হলে অবশ্যই এসইও করতে হবে। অনেকেই আছে যারা ইউটিউবে নতুন। ইউটিউব সম্পর্কে ভালো ধারণা না থাকার ফলে ভিডিও র‍্যাংক করেনা অনেকেরই। ইউটিউব ভিডিও র‍্যাংক করাতে হলে কিছু ছোট-খাটো কাজ করা প্রয়োজন। এই পোস্টটিতে ইউটিউব ভিডিও এসইও নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

youtube seo,seo,youtube seo tips,youtube ranking factor

ইউটিউব ভিডিও এসইও করবেন যেই কারণে

ইউটিউব ভিডিও এসইও করার ফলে আপনার ভিডিওটি খুব সহজেই র‍্যাংক করতে পারে। ইউটিউব ভিডিও এসইও-এর ফলেই আপনার ভিডিওটি ভাইরাল হতে পারে। এমনকি এই এসইও করার ফলেই আপনি অগণিত সাবস্ক্রাইবারও পেতে পারেন।

ভিডিওতে এসইও না করলে, সার্চ দিলে ভিডিওটি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা বললেই চলে। ইউটিউব ভিডিও এসইও করার কিছু নিয়ম রয়েছে। ইউটিউব ভিডিও এসইও করার প্রধান তিনটি সহজ উপায় হলো -
  1.  সঠিক ভিডিও টাইটেল নির্বাচন
  2.  সুন্দর ডেসক্রিপশন
  3.  সঠিক ট্যাগ নির্বাচন
আপনাকে অবশ্যই এই তিনটি নিয়ম মানতে হবে। এখন এই তিনটি বিষয়ের ব্যবহার সম্পর্কে জানবো।

১. টাইটেল নির্ধারণ

আপনাকে অবশ্যই সঠিক টাইটেল নির্বাচন করতে হবে। একটি সঠিক ও সুন্দর টাইটেলের ফলে সার্চ রেজাল্টে আপনার ভিডিও পাওয়া সম্ভব হবে। তবে এসইও ছাড়া তার সম্ভাবনা খুবই কম। টাইটেলটি যেনো ইউনিক হয় সেই বিষটি লক্ষ্য রাখবেন অবশ্যই।

২. ডেসক্রিপশন নির্ধারণ

ডেসক্রিশনে অবশ্যই সুন্দরকরে তথ্য গুছিয়ে লিখবেন। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো, ডেসক্রিপশনের প্রথমেই টাইটেল অংশটি রাখবেন। টাইটেল অংশটি আপনার সার্চ র‍্যাংকে ভিডিও পেতে সহায়তা করবে। এজন্যই ডেসক্রিপশনে টাইটেল রাখা জরুরী।

৩. ট্যাগ নির্ধারণ

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো ট্যাগ। এই ট্যাগের ফলেই একটি নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করলে আপনার ভিডিওটি সবার আগে আসে। সঠিক ট্যাগ নির্বাচন করা অবশ্যই জরুরী। যেমন : How to do seo for youtube videos-লিখে সার্চ করলে অনেক ভিডিও আসবে। তবে সঠিক ট্যাগ ব্যবহারের ফলে আপনার ভিডিওটি সার্চ রেজাল্টের প্রথমে আসতে পারে। ধরুন আপনি seo, youtube- এই কি-ওয়ার্ডগুলোকে ট্যাগ হিসেবে দিলেন। কিন্তু ভিডিওটি প্রথম ৫টি পেইজেও পাচ্ছেন না।

এক্ষেত্রে আপনি যদি youtube video seo, how to seo youtube video-এই ধরনের ট্যাগ ব্যবহার করতেন সেক্ষেত্রে সার্চ রেজাল্টে বেশ প্রথমেই পেতেন ভিডিওটি।

আশাকরি, পোস্টটি থেকে উপকার পেয়েছেন। ইউটিউব ভিডিও এসইও সম্পর্কিত প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে তা জানাতে পারেন।
Share:

প্রিমিয়াম ভার্সন টরেন্ট ডাউনলোডার ব্যবহার করবেন যেভাবে

আমরা অনেক সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি। তবে প্রিমিয়াম ভার্সন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারিনা ডলার পে করার জন্য। প্রিমিয়াম ভার্সন সফটওয়্যারগুলো কিনতে হলে আপনাকে গুণতে হবে অনেক টাকা, যা আমাদের পক্ষে অনেক সমস্যার হয়। তবে খুব সহজেই প্রিমিয়াম ভার্সন টরেন্ট ডাউনলোডার পেতে পারেন আপনি। আজকে প্রিমিয়াম ভার্সন টরেন্ট ডাউনলোডার ব্যবহার করবেন যেভাবে তা নিয়ে আলোচনা করবো।
torrent downloader

প্রিমিয়াম ভার্সন ইউটরেন্ট এবং বিটটরেন্ট ডাউনলোড করবেন যেভাবে


আপনি খুব সহজেই প্রিমিয়াম ভার্সন ইউটরেন্ট এবং বিটটরেন্ট ডাউনলোড করে ফেলতে পারবেন। প্রিমিয়াম ভার্সনের জন্য আপনাকে কোনো ডলার খরচ করতে হবেনা। শুধুমাত্র ক্র্যাক ব্যবহার করেই আপনি প্রিমিভার্সন বানিয়ে নিতে পারবেন।

যারা ক্র্যাক ব্যবহারের ফাইল পাচ্ছেনা বা ডাউনলোড করতে সমস্যায় পড়ছেন তারা এই পোস্টটি থেকে উপকার ব্যতীত ক্ষতিগ্রস্থ হবেন না। আপনি এই প্রিমিয়াম ভার্সন ইউটরেন্ট এবং বিটটরেন্ট আপনার ৩২ বিট অথবা ৬৪ বিট কম্পিউটারে ইনস্টল করতে পারবেন। কম্পিউটারের জন্য সফটওয়্যারটি ডাউলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
utorrent bittorrent



আশাকরি, পোস্টটি আপনাদের উপকারে আসবে। পোস্টটি কেমন লাগলো তা নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানান এবং পোস্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন।
Share:

ডাউনলোড করুন ফুল ভার্সন ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার

আমরা বিভিন্ন সময় ডাউনলোডের কাজে ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু অনেকেই এই ডাউনলোড ম্যানেজার ডলার দিয়ে কিনে নিতে পারিনা। পেইড ভার্সন ব্যবহার করার কিছু উপায় আছে। আজকে আমি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।


যেভাবে ফুল ভার্সন ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার ডাউনলোড করবেন

ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার ফুল ভার্সন পেতে হলে আপনাকে ডলার খরচ করতে হবে। তবে আমার মতে তার কোনো প্রয়োজন নেই। আপনি ক্র্যাক ব্যবহার করেই ফুল ভার্সন ব্যবহার করতে পারবেন। নিচের লিংকে ক্লিক করে ফুল ভার্সন ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজারটি ডাউনলোড করে নিন।

IDM 6.27 with Crack

আশাকরি, এখন থেকে ফুল ভার্সন ডাউনলোড ম্যানেজার ব্যবহার করতে পারবেন আপনারা। কোনো প্রশ্ন থাকলে তা নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানান এবং পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Share:

This Site is protected by DMCA

Categories

Popular Posts

Recent Posts

শাহরিয়ার টেক

শাহরিয়ার টেক
Shahriar Tech - A Technology Website

Contact Form

Name

Email *

Message *

About Me

authorHello, my name is Shahriar Ahmed Redoy. I'm a 18 year old self-employed student.
Learn More →

Kategori

Kategori

Recent Comments

Categories

Flickr

Recommended Posts

randomposts

Sponsor

AD BANNER

Popular Posts

Featured

Labels

All Page Views